logo +8801612975797 99itbd@gmail.com
Main Site

বাজেট  ও মানিব্যাক গ্যারান্টি

বাজেট ও মানিব্যাক গ্যারান্টি

আপনার বাজেট নির্ধারণ অবশ্যই বাস্তব সম্মত হতে হবে।একটা কথা মনে রাখতে হবে যেমন টাকা পে করবেন তেমন সার্ভিস পাবেন। সস্তার তিন অবস্থা তাহলে আপনাকে ডাউনটাইম, সাইট স্লো লোডিং এসব বিষয় সহ্য করতে হবে। তাই কেনার আগে এ বিষয়টি ভেবে দেখুন।
মানিব্যাক গ্যারান্টি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। অনেক কোম্পানিই ১৫ দিনের মানিব্যাক গ্যারান্টি দিয়ে থাকে। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন কোম্পানি মানিব্যাক গ্যারান্টি দিচ্ছে কিনা।


ডিস্ক স্পেস

ডিস্ক স্পেস

অনেকেই নতুন ওয়েব সাইট তৈরী করার সময় আনলিমিটেড হোস্টিং এর উপর গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। মনে রাখবেন আনলিমিটেড এর একটা লিমিট আছে এবং বোনাস হিসেবে সেইটার সাথে আনলিমিটেড সমস্যা থাকে। আপনি কি কোনদিন আনলিমিটেড হার্ডডিস্ক দেখেছেন, যেটার মধ্যে ফাইল কিংবা প্রয়োজনীয় জিনিস আপনি যতই রাখুন না কেন সেটার স্পেস কোনদিন শেষ হবে না। এটা কি সম্ভব? যদি উত্তর আপনার না হয় তাহলে আশা করি এখন থেকে ভাববেন আনলিমিটেড ডিস্ক বলতে কোন কিছু হয়না। কারন আপনার প্রোভাইডার এর সার্ভার ও আমার আপনার মত কম্পিউটার এর হার্ডডিস্ক এর মত ডিস্ক থেকে সেবা দিয়ে থাকে। সুতরাং সার্ভারের ডিস্ক আনলিমিটেড না হলে আপনি কিভাবে আনলিমিটেড ডিস্ক স্পেস পাবেন? আপনার ওয়েব সাইটের জন্য কতটুকু স্পেস লাগবে তা হিসাব করে নিন। আপনি যদি ব্যক্তিগত ওয়েব সাইট করতে চান যাতে শুধু কয়েকটা পেজ থাকবে তাহলে ৫০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর যদি চিন্তা ব্যক্তিগত ব্লগ টাইপের ওয়েব সাইট হবে তাহলে ২০০-৫০০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর আপনি যদি চিন্তা করেন ছবি, গান, ভিডিও রাখবেনতবে আপনাকে বড় ওয়েব স্পেসের দিকে নজর দিতে হবে।


ব্যান্ডউইথ  ও  BDIX ব্যান্ডউইথ

ব্যান্ডউইথ ও BDIX ব্যান্ডউইথ

প্রতিবার পাঠক / দর্শক যতগুলো পেজ আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে, ততগুলো পেজ, ছবি, গান, ভিডিও অর্থাৎ ওইসব পেজে যা কিছু আছে সবগুলোই পাঠকের কম্পিউটারে ডাউনলোড হয়। প্রাথমিক অবস্থায় একটা সাইটের ১ জিবি ব্যান্ডউইথ ও যথেষ্ট। পারসোনাল সাইটের জন্য এর চেয়ে বেশি লাগার কথা না। আর আপনার সাইটে যদি প্রচুর ইমেজ, ভিডিও ইত্যাদি থাকে তাহলে প্রচুর ব্যান্ডউইথ লাগতে পারে। ১০-১০০ জিবি অথবা তারচেয়ে ও বেশি। এখন হয়ত বলবেন আনিলিমিটেড ডিস্ক স্পেস নাই পেলাম। কিন্তু আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ তো অবশ্যই পাবো। ভাই দাড়ান, এখানেও কথা আছে। প্রত্যেকটা সার্ভারের পোর্ট স্পীড কিন্তু ফিক্সড করে দেওয়া থাকে।

যেমন আপনার পিসির ল্যান কার্ডের স্পীড নির্দিষ্ট করা থাকে। অবশ্য সেটা আপনার প্রয়োজনে পিসি/সার্ভার এর পোর্ট স্পীড আপগ্রেড করতে পারবেন। এই ব্যান্ডউইথ দিতে পারবে যদি সার্ভার এর পোর্ট সবসময় ব্যান্ডউইথ লোড খাকলে। যা বাস্তবিক পক্ষে কোনদিনই সম্ভব না। আর আপনার প্রোভাইডার নিশ্চয় সেখানে আপনার একার সাইট হোস্ট করবেনা, সেখানে আপনার মত প্রচুর আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ দরকার এই রকম ক্লায়েন্ট বহু আছে। সো এই লিমিট ব্যান্ডউইথ থেকে আপনি কিভাবে আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ পাবেন?

BDIX এর পূরনরূপ হলো 'Bangladesh Internet Service Exchange.' এর মাধ্যমে আপনি সহজেই অনেক বড় সাইজের এইচডি মুভি বা ফাইলও সুপার স্পিডে ডাউনলোড করতে পারবেন।এটি মূলত এক ধরনের ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক তৈরি করে যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই তাদের সার্ভার থেকে যে কোন ফাইল অনেক কম সময় অনেক দ্রুত গতিতে ডাউনলোড করতে পারবেন।
আরো ভালোভাবে উদাহরণের মাধ্যমে বলতে গেলে,ধরুন আপনি ডাউনলোড করার সময় সাধারণ সময়ে ১৫০-২০০ কেবিপিএস স্পিড পান;কিন্তু BDIX Server এর সাইট থেকে ডাউনলোডের সময় স্পিড পাবেন আরো অনেক বেশি!এ স্পিড ১ থেকে ২০ এম্বিপিএস পর্যন্তও হতে পারে! তবে হ্যা,এজন্য অবশ্যই আপনার ISP এর BDIX Connectivity থাকতে হবে।
বাংলাদেশের সকল মোবাইল কম্পানি BDIX Connectivity এর আওতাই আছে তাই আপনার সার্ভার হোস্টের ডাটা সেন্টার বাংলাদেশের হলে অনেক দ্রুতগতির সার্ভিস পাবেন ।
আপনার ওয়েব সাইটের জন্য কতটুকু স্পেস লাগবে তা হিসাব করে নিন। আপনি যদি ব্যক্তিগত ওয়েব সাইট করতে চান যাতে শুধু কয়েকটা পেজ থাকবে তাহলে ৫০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর যদি চিন্তা ব্যক্তিগত ব্লগ টাইপের ওয়েব সাইট হবে তাহলে ২০০-৫০০ এমবি স্পেসই যথেষ্ট। আর আপনি যদি চিন্তা করেন ছবি, গান, ভিডিও রাখবেনতবে আপনাকে বড় ওয়েব স্পেসের দিকে নজর দিতে হবে।


আপটাইম

আপটাইম

একটি ওয়েবসাইটের জন্য আপটাইম বিষয়টি খুবই জরুরি। হোস্টের সার্ভার যতক্ষন সচল থাকবে, আপনার ওয়েবসাইটও ততক্ষন সক্রিয় থাকবে। এটা কেবলমাত্র পাঠকের জন্যই গুরুত্বর্পূণ নয়, বরং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনেও অনেক গুরুত্ববহন করে। পাঠক একবার আপনার ওয়েবসাইটে আসে দেখলো আপনার ওয়েবসাইট কাজ করছে না, তখন তার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হবে এবং সে ভবিষ্যতে নাও আসতে পারে। ঠিক তেমনি সার্চ ইঞ্জিনের বট ইনডেক্সের সময় ওয়েবসাইট ডাউন থাকলে, সে ফিরে যাবে এবং আপনি আপনার ওয়েবসাইট ইনডেক্স হওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন।


প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা

প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা

হোস্টিং কেনার আগে হোস্টিং কোম্পানি ভাল না মন্দ তা জেনে নেয়ার চেষ্টা করুন। কোম্পানি সম্পর্কে ইউজারদের দৃষ্টি ভঙ্গি কেমন তা কোম্পানির রিভিউ দেখলেই বুঝতে পারবেন। কোম্পানি যেসব বিলিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা বৈধ্য উপায়ে করে কি না। নাকি চোরাই সফটওয়্যার ব্যবহার করে তা নিশ্চিত হয়ে নিন। যারা চোরাই স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে সার্ভিস দেয় তাদের থেকে ভাল কিছু আশা করা ঠিক হবে না।


সাপোর্ট

সাপোর্ট

আজকের দুনিয়ায় সাপোর্ট একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার সার্ভার যদি কখনো ডাউন হয় আর যদি তা জানাতে এবং উত্তর পেতে কয়েক দিন লেগে যায় তাহলে লক্ষ ভিজিটর হারাতে পারেন। আর যদি আপনি রিসেলার ক্লাইন্ট হোন তবে তো মহা বিপদে পড়বেন। আপনার ক্লাইন্টকে কোন উত্তর দেয়ার মতো কিছু থাকবে না। তাই কোম্পানির সাপোর্ট কত দ্রুত তা নিশ্চিত হয়ে নিন। হোস্টিং কোম্পানি জিজ্ঞাসা করুন তাদের গ্যারান্টেড সাপোর্ট রেসপন্স টাইম কেমন। এবং কি কি মাধ্যমে সাপোর্ট দিয়ে থাকে।


হোস্টিং ফিচার

হোস্টিং ফিচার

হোস্টিং প্লানগুলোর মধ্যে কোন লিমিটেশন থাকলে সেটা অনেক সময় ভালভাবে উল্লেখ করা থাকে না। তাই প্লানগুলোর তুলনা করে আপনার চাহিদার সাথে বেপারগুলো মিলে কিনা তা দেখে নিন। আপনি যদি এএসপি ডট নেটে সাইট বানাতে চান তাহলে আপনার উন্ডডোজ হোস্টিং লাগবে। লিনাক্স হোস্টিং এ চলবে না। আপনার যে যে ফিচার প্রয়োজন তা তারা দিতে পারছে কি না দেখে নিন।


টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতা ও লিমিটেশন জেনে নেওয়া

টেকনিক্যাল সীমাবদ্ধতা ও লিমিটেশন জেনে নেওয়া

আপনি আপনার হোস্টিং এ কি কি হোস্ট করতে পারবেন এবং কতটুকু স্পেস, ব্যান্ডউইথ, সিপিউ ব্যবহার করতে পারবেন তা টার্মস অব সার্ভিসেস পেজে দেয়া থাকে। তাই কোম্পানির টার্মস অব সার্ভিসেস পড়ে নিতে হবে।
আপনি যদি ব্লগ, ই-কমার্স, লাইভ ভিডিও ইত্যাদি ধরণের সাইট বানাতে চান তাহলে সস্তার তিন অবস্থায় না যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সস্তা প্যাকেজের সার্ভার গুলোর হার্ডওয়্যার কনফিগ খুব একটা ভাল হয় না। ফলে আপনার সাইট আধিকাংশ সময় ই আফলাইন/ডাউন থাকবে যা আপনার ও আপনার ভিজিটর কারো ই কাম্য নয়। তাই আপনি যে প্রতিষ্ঠানটিকে বাছাই করবেন তাদের থেকেই যেনে নিন আপনার জন্য কোনটি ভাল হবে। অযথা নিজের ভুলে হয়রানি হয়ে প্রতিষ্ঠানের বদনামি করবেন না।


কন্ট্রোল প্যানেল

কন্ট্রোল প্যানেল

আপনার ওয়েব সাইট ম্যানেজ করার জন্য কন্ট্রোল প্যানেল প্রয়োজন। কন্ট্রোল প্যানেলের সাহায্যে আপনি আপনার ওয়েব সাইট সহজেই ম্যানেজ করতে পারেন। ওয়েব হোস্টিং এ সব চেয়ে সহজ এবং অধিক ফিচার সমৃদ্ধ কন্ট্রোল প্যানেল হচ্ছে cPanel অথবা Plesk । আপনি যদি ওয়েবের জগতে নতুন হয়ে থাকেন তারপরেও স্ক্রিপ ইনস্টল, ই-মেইল সেটআপ, FTP একাউন্ট সেটিং করতে হবে প্রভাইডরের সাহায্য ছাড়াই। এক্ষেত্রে cPanel অথবা Plesk এর ইন্টারফেস আপনার জন্য সুবিধা জনক।
ডোমেইন এর কন্ট্রোলপ্যানেল হোস্টিং কন্ট্রোলপ্যানেল থেকে আলাদা। আপনি ডোমেইন কেনার আগে অবশ্যই জেনে নিবেন আপনাকে ডোমেইন কন্ট্রোলপ্যানেল দেয়া হবে কিনা এবং ভবিষ্যতে যদি প্রয়োজন পড়ে ডোমেইন ট্রান্সফার করতে পারবেন কিনা।


ই-মেইল সুবিধা

ই-মেইল সুবিধা

এটি খুবই গুরুত্বপূণ একটি বিষয়। আপনি অবশ্যই এই বিষয়টির ব্যপারে আপনার পচ্ছন্দের প্রতিষ্ঠানটিকে জিজ্ঞাস করতে ভুল করবেন না। আপনার সাইটে যদি স্পার্ম জনিত সমস্যা হয় তাহলে বুঝতে হবে তারা এ ব্যপারে পর্যাপ্ত সুবিধা দিতে ব্যর্থ। তাই আগে থেকেই জেনে নিন ই-মেইল সুবিধা ও স্পার্ম সমাধান সর্ম্পকে।


শেয়ারড হোস্টিং , ভিপিএস নাকি ডেডিকেটেড সার্ভার?

শেয়ারড হোস্টিং , ভিপিএস নাকি ডেডিকেটেড সার্ভার?

এটি খুবই গুরুত্বপূণ একটি বিষয়। আপনার ওয়েবসাইট বা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন টি হোস্ট করার জন্য যখন আপনি কোন শেয়ারড হোস্টিং প্রভাইডার নির্বাচন করবেন, অবশ্যই শেয়ারড হোস্টিং অপশন গুলো সম্পর্কে আপনার ভাল ধারনা থাকতে হবে, যেন আপনি আপনার জন্য যথাযোগ্য অপশন টি নির্বাচন করতে পারেন। সর্বাধিক ব্যবহৃত ও নির্ভরযোগ্য তিনটি অপশন হল শেয়ারড হোস্টিং, ভারচুয়াল প্রাইভেট সার্ভার এবং ডেডিকেটেড হোস্টিং। প্রশ্ন হচ্ছে আপনার জন্য কোনটি পারফেক্ট? এখানে আমি চেষ্টা করব তিনটি বিষয়ে আপনাদের একটা ক্লিয়ার গাইডলাইন দিতে।

শেয়ারড হোস্টিং হচ্ছে সবচেয়ে কমন হোস্টিং সল্যুশন যার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্বল্প খরচ। কিন্তু আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি কেন এর খরচ কম? শেয়ারড হোস্টিং নাম থেকেই বোঝা যাচ্ছে যে এই হোস্টিং এর সকল রিসোর্স যেমন অপারেটিং সিস্টেম, ডিস্ক স্পেস, ব্যান্ডউইথ ইত্যাদি অনেক ইউজার এর সাথে শেয়ার করা হয়। বেসিকালি শেয়ারড হোস্টিং একাধিক ইউজার কে তাদের ইনফরমেশন হোস্ট করতে এলাউ করে। একাধিক ইউজার মানে ২/৩ জন নয়। ২০০/৩০০ এমনকি ১০০০ ও হতে পারে। আপনি যদি ১০০০ জনের ১ জন হন তাহলে আপনি একটা সার্ভার এর ১/১০০০ ভাগ আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। এবং পুরো খরচের ১০০০ ভাগের ১ ভাগ আপনার কাছ থেকে কম্পানি নিচ্ছে। তাই এর দাম এত কম। এই সল্যুশন ছোট-খাট যে কোন ওয়েবসাইটের জন্য যথেষ্ট। যাই হোক, এর ব্যবহার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের লিমিটেশন থাকে। যখন আপনার ওয়েবসাইট এবং গ্রাহকের পরিধি ও প্রসার বাড়তে থাকে, আপনি দেখবেন আপনার ওয়েবসাইট ঠিক আগের মত ইউজার ফ্রেন্ডলি নেই। হয়ত ওয়েবসাইট ডাউন অথবা স্লো এমন অনেক ধরনের প্রতিবন্ধকতা দেখা দেবে। এছাড়া আপনার ওয়েবসাইট এর প্রাইভেসি না থাকার কারনে আপনি চাইলেও সর্বোচ্চ সিকিউরিটি দিতে পারছেন না যেহেতু সার্ভার অ্যাক্সেস আপনার হাতে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে শেয়ারড হোস্টিং বাদ দিয়ে আপনাকে ভিপিএস বা ডেডিকেটেড হোস্টিং এ যেতে হবে।

ভারচুয়াল প্রাইভেট সার্ভার/ ভিপিএস হোস্টিংঃ ধরুন একটা ডেডিকেটেড সার্ভার এর ডিস্ক স্পেস ৫০০ জিবি এবং ব্যান্ডউইথ ৫০০০ জিবি। এখন এই সার্ভার টাকে ১০ ভাগে সমান ভাবে ভাগ করলাম। তাহলে এক এক ভাগে ডিস্ক স্পেস ৫০ জিবি এবং ব্যান্ডউইথ ৫০০ জিবি করে পড়লো। এই এক একটা ভাগ কে বলা হয় ভারচুয়াল সার্ভার। তাহলে পুরো সার্ভার তা ১০ জন ইউজার ব্যবহার করলে আপনি ১০ জনের ১ জন। ১০০০ জনের ১ জন হয়ে আপনি শেয়ারড হোস্টিং এ যে সুযোগ সুবিধা পেতেন, ১০ জনের ১ জন হয়ে ডেফিনিটলি আপনি অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন। আপনার কাছে ভিপিএস এর রুট কন্ট্রোল প্যানেল থাকায় আপনার ওয়েবসাইট এর সিকিউরিটি শেয়ারড হোস্টিং এর তুলনায় অনেক ভালভাবে মেইনটেইন করতে পারবেন। অধিক পরিমান ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের সুযোগ থাকায় আগের থেকে অনেক বেশি ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট এ ডাউনটাইম ছাড়া প্রবেশ করতে পারবে। রিসোর্স বেশি থাকার কারনে ভিপিএস এর দাম ও তুলনামুলক ভাবে একটু বেশি।

যখন একটা কম্পিউটার পুরটাই একটা সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয় তখন এটাকে বলে ডেডিকেটেড সার্ভার। আর এই ডেডিকেটেড সার্ভার এর হোস্টিং কে আমরা বলি ডেডিকেটেড হোস্টিং। ডেডিকেটেড ওয়েব হোস্টিং এখন ছোট-বড় সকল ধরনের ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়ে থাকে যেহেতু এটা আপনাকে অনেক বেশি ফ্লেক্সিবিলিটি দিয়ে থাকে। এখানে একটা ইনফরমেশন ই যথেষ্ট “আপনি একাই ১০০০ জন শেয়ারড হোস্টিং ইউজার বা ১০ জন ভিপিএস ইউজার এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন”। একটা ভাল ডেডিকেটেড সার্ভার হোস্টিং এর মাধ্যমে আপনি লক্ষ লক্ষ ভিজিটর কে আপনার ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সুযোগ দিতে পারবেন। ডেডিকেটেড হোস্টিং এ আপনি সব কিছুই নিজের কন্ট্রোল এ রাখতে পারবেন। উপরের আলোচনা থেকে আশা করি কিছুটা হলেও হোস্টিং অপশন সম্পর্কে ধারনা পেয়েছেন। আপনার হোস্টিং বাজেট বেশি থাকলে আপনার ওয়েবসাইট ডেডিকেটেড সার্ভারে হোস্ট করাই ভাল অথবা ভিপিএস এও হোস্ট করতে পারেন। বাজেট কম থাকলে প্রথমে শেয়ারড হোস্টিং, এর পরে প্রয়োজন অনুযায়ী ভিপিএস এ আপগ্রেড করে নিবেন এবং যখন আপনার ওয়েবসাইটে অনেক ভিজিটর হবে তখন ডেডিকেটেড হোস্টিং নিয়ে নিবেন।।

"We Have 200 Happy Client Who Are Using Our Dedicated Server From Bangladeshi Data-Center in Dhaka. Avarage Host's Loading Time Less Then 5-Seconds in Any Bangladeshi Network"